Monday, September 23, 2013

কিডনি নষ্টের ১০টি অনিয়ম !

 ১. প্রস্রাব আটকে রাখা।
২. পর্যাপ্ত পানি পান
না করা।
৩. অতিরিক্ত লবন খাওয়া।
৪. যেকোন সংক্রমনের দ্রুত
চিকিৎসা না করা। ৫. মাংস বেশি খাওয়া।
৬. প্রয়োজনের তুলনায় কম
খাওয়া।
৭. অপরিমিত ব্যথার ওষুধ
সেবন।
৮. ওষুধে সেবনে অনিয়ম। ৯. অতিরিক্ত মদ খাওয়া।
১০. পর্যাপ্ত বিশ্রাম
না নেওয়া।

Tuesday, September 10, 2013

ফরমালিন থেকে বাঁচার উপায়


► কিভাবে মাছ থেকে ফর্মালিনের দূর করবেন ?

▀ পরীক্ষায় দেখা গেছে পানিতে প্রায় ১ ঘন্টা মাছ ভিজিয়ে রাখলে ফর্মালিনের মাত্রা শতকরা ৬১ ভাগ কমে যায়।
▀ লবনাক্ত পানিতে ফর্মালিন দেওয়া মাছ ১ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখলে শতকরা প্রায় ৯০ ভাগ ফর্মালিনের মাত্রা কমে যায়।
▀ প্রথমে চাল ধোয়া পানিতে ও পরে সাধারন পানিতে ফর্মালিন যুক্ত মাছ ধুলে শতকরা প্রায় ৭০ ভাগ ফর্মালিন দূর হয়।
▀ সবচাইতে ভাল পদ্ধতি হল ভিনেগার ও পানির মিশ্রনে (পানিতে ১০ % আয়তন অনুযায়ী) ১৫ মিনিট মাছ ভিজিয়ে রাখলে শতকরা প্রায় ১০০ ভাগ ফর্মালিনই দূর হয়।

► কিভাবে ফল ও সবজি থেকে ফর্মালিনের দূর করবেন ?

▀ খাওয়ার আগে ১০ মিনিট গরম লবণ পানিতে ফল ও সবজি ভিজিয়ে রাখতে হবে।

ঘাড়ে, কোমড়ে ও হাটুতে ব্যথা

বিভিন্ন কারণে যাদের ঘাড়ে, কোমড়ে ও হাটুতে ব্যথা হয়েছে তারা নিম্নের নিয়মগুলো পালন করবেন

১. মরেুদন্ড ও ঘাড় বাঁকা করে (নীচু হয়ে) কোন কাজ করবনে না।
২. যে কোন একদিকে কাঁত হয়ে হাতে ভর দিয়ে শোয়া থেকে উঠবনে।
৩. পিড়া, মোড়ায় না বসে পিঠে সাপোর্ট দিয়ে চেয়ারে বসবেন।
৪. হাটু ভাঁজ করে বসা উচিৎ নয়।
৫. ফোমের বিছানায় (নরম বিছানায়) শোয়া নিষেধ।
৬. চেয়ার-টেবিলে বসে ভাত খেতে হবে।
৭. নির্দেশ মত নিয়মিত ব্যায়াম করবেন।
৮. উপদেশ মত ফিজিক্যাল থেরাপী নিবেন।
৯. দাঁড়িয়ে রান্না করবেন, প্রয়োজন হলে চেয়ারে বসে রান্না করবেন।
১০. আক্রান্ত স্থানে অল্প গরম পানিতে তোয়ালে ভিজেয়ে শাক দিবেন।
১১. কোন জিনিস তোলার সময় সোজা হয়ে বসে তুলবেন।
১২. ঝরণায় অথবা সোজা হয়ে বসে গোসল করবেন।
১৩. উপুর হয়ে ঘুমাবেন না, শুয়ে টিভি দেখবেন না।
১৪. হাই-হিল যুক্ত জুতা পরবেন না।
১৫. যাত্রার সময় সামনের অথবা মাঝামাঝি আসনে বসুন।
১৬. কলার/করসেট বেল্ট দেয়া হলে তা ভ্রমনের সময় অবশ্যই পরবেন, ঘুমানোর সময় ও ব্যয়াম করার সময় খুলে রাখবেন।
১৭. লেখা পড়া করার জন্য মাইনাস ডেস্ক ব্যবহার করবেন।
১৮. বোতল হাতে ঘার বাঁকা করে পানি পান করবেন না।
১৯. গাল সেভ করার সময় মাথা বাকা না করাই উত্তম।
২০. উঁচু কমোডে বা চেয়ারে ছিদ্র করে বসে পায়খানা করবেন।
২১. দীর্ঘক্ষন ধরে হাটা বা দৌড়ানো ঠিক নয়।
২২. দীর্ঘ সময় যাবত দাঁড়িয়ে কিংবা বসে থাকবেন না, মাঝে মাঝে অবস্থান বদলাবেন।
২৩. হাঁটার সময় নির্দেশ মত লাঠি ব্যবহার করবেন।
২৪. শোবার সময় একটি পাতলা নরম বালিশ দ্বারা ঘাড়ে সাপোর্ট দিয়ে ঘুমাবেন।
২৫. শেখানো ব্যয়াম দিনে দুইবার নিয়মানুযায়ী করবেন।
২৬. ব্যথা বেশী থাকা অবস্থায় কোন প্রকার ব্যায়াম করবেন না।
২৭. মোটা ব্যক্তির শরীরের ওজন কমাতে হবে।
২৮. কোন প্রকার মালিশ করবেন না।
২৯. ঝুকিপূর্ণ যানবাহন বা রাস্তা ব্যবহার করবেন না।
৩০. সিড়িতে ওঠার সময় ধীরে ধীরে হাতল ধরে সোজা হয়ে উঠবেন।

কফির উপকারিতা

ডাচ Coffie শব্দ থেকে ইংরেজী Coffee শব্দটি এসেছে। বিশ্বব্যাপী খুবই জনপ্রিয় পানীয়। পানির সাথে ফুটিয়ে রান্না করা "কফি বীজ" নামে পরিচিত এক প্রকার বীজ পুড়িয়ে গুঁড়ো মিশিয়ে কফি তৈরি করা হয়। এই বীজ কফি চেরি নামক এক ধরনের ফলের বীজ।

প্রায় ৭০টি দেশে এই ফলের গাছ জন্মে। সবুজ কফি বিশ্বের সব থেকে বেশি বিক্রীত কৃষি পণ্যের মধ্যে একটি। কফিতে ক্যাফেইন নামক এক প্রকার উত্তেজক পদার্থ রয়েছে। ৮ আউন্স কফিতে প্রায় ১৩৫ মিলিগ্রাম ক্যাফেইন থাকে। কফির উপাদান ক্যাফেইনের জন্যে কফি মানুষের উপর উত্তেজক প্রভাব ফেলে ও উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে।

কফির ইতিহাস:
১৬১৫ সালে ইউরোপে ভেনিসের ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে কফি বানিজ্য শুরু হয় এবং ১৬১৬ সালে ডাচরা কফি হল্যান্ডে নিয়ে যায়। ইন্দোনেশিয়ায় ডাচ কলোনিতে কফির আবাদ শুরু হয়। ফরাসি, ব্রিটিশ এবং ডাচরা লাতিন আমেরিকায় কফির প্রচলন করে।

কফির উপকারিতা:
অনেক বছর থেকেই পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন অঞ্চলে মানুষের মাঝে কফি পানের প্রবণতা রয়েছে। প্রতিদিন কফি পানকারী মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশেও এর ব্যতিক্রম নয়। আসুন আমরা জেনে নেই কফি পানে কি কি উপকার করে-

যাদের মাথা ব্যথা আছে, তাদের জন্যে কফি ঠিক ঔষধের মত কাজ করে। যে কোন ধরনের মাথা ব্যথা হলে কফি পান করলে উপকার পাওয়া যেতে পারে। মাথা ব্যথার সময় রক্তনালী প্রসারিত হয়, কফির ক্যাফেইন সংকুচিত হতে সহায়তা করে। যার ফলশ্রুতিতে মাথা ব্যথা কমে।

কফি পান আপনাকে করতে পারে অধিক সতেজ ও স্মার্ট, কফির উপাদানে ক্যাফেইন মনোউদ্দীপক দ্রব্য রয়েছে। যা স্নায়বিক কর্মকাণ্ডকে ত্বরান্বিত করে।

স্মৃতি শক্তির উন্নতিতে কফির ভূমিকা রয়েছে।

নিয়মিত কফি পানে মানসিক অবস্থার উন্নতি হতে পারে।

কফি পানে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত কফি পানকারীদের মধ্যে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার হার কম।

কফি পানে হৃদ রোগের ঝুঁকি কমায়। ১৫ বছর ব্যাপী একচলিশ হাজার মহিলার অংশগ্রহণে পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে প্রত্যহ ৩ কাপ করে কফি পান হার্ট এ্যাটাকের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে সক্ষম।

কফিতে রয়েছে ক্যাফেইন যা রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে।

হজমজনিত সমস্যায় কফি উপকার করতে পারে।

দিনে ৪ কাপ কফি পানের ফলে মুখগহ্বরের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা ৫০ শতাংশ কমে যায়।

নিয়মিত কফি পান দন্ত ক্ষয় রোধে (রোস্টেট কফি) বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

কফির অপকারিতা:
উপকারের পাশাপাশি কফির কিছু অপকারিতাও রয়েছে। কফির ক্ষতিকর দিকগুলো জেনে নেই-

কফিতে রয়েছে পলিফেনন জেস্টানিন নামক উপাদান যা আয়রন শোষণ করে। জেস্টানিনরে সঙ্গে আয়রন মিশে শরীর থেকে বের হয়ে যায়। অতিরিক্ত কফি পান আপনার শরীরে আয়রনের ঘাটতি ঘটাবে।

খাওয়ার সাথে সাথে কফি পান করলে আপনার শরীর থেকে থায়ামিন বা ভিটামিন বি শোষণ করার ফলে আপনি বেরিবেরি রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।

খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কফি পান করার ফলে তা খাবার থেকে আমিষ ও ভিটামিন শোষণ করে ফলে আপনার হজমে সমস্যা হতে পারে।

যাদের হজমে ও অম্লত্বের সমস্যা আছে তাদের প্রতিদিন ৪ কাপের বেশী কফি পান করা উচিত নয়।

বমির ঘরোয়া চিকিৎসা



১। অজানা কারণে বমি :: দুটি লবঙ্গ ১০০ মিলি পানিতে দিয়ে সেদ্ধ করুন। পানি ফুটে যখন অর্ধেক জয়ে যাবে তখন ছেঁকে নিয়ে স্বাদ অনুসারে মিছরি মিশিয়ে খেতে দেবেন এবং পাশ ফিরে শুতে বলবেন। সারা দিনে ৪ ঘন্টা পরপর ৪ বার পান করলে বমি বন্ধ হয়ে যাবে।

২। বমি-বমি ভাব :: দুটি লবঙ্গ গুঁড়ো করে ৩০ মিলি পানিতে মিশয়ে একটু গরম করে খেলে গা পাক দেওয়া সেরে যায়। বমি-বমি ভাব থাকে না।

৩। গর্ভাবস্থায় বমি :: গর্ভাবস্থায় বমিতে দুটি লবঙ্গ মিছরির সাথে চূর্ণ করে আধ কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে খেলে আরাম পাওয়া যায়।

৪। গাড়ি ভ্রমনে বমি :: বাস, ট্রেন ইত্যাদি ভ্রমনে যাদের বমি হয় তারা সাথে সবসময় লবঙ্গ রাখবেন। গাড়িতে উঠেই লবঙ্গ চুষতে থাকবেন। এতে বমি হওয়ার প্রবণতা হ্রাস পাবে।

৫। প্রচন্ড গরমে বমি :: ৩ চা চামচ ধনে গুঁড়ো ২৫০ মিলি পানিতে ১ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন, স্বাদের জন্য ১ চামচ মিছরি গুঁড়ো দেওয়া যেতে পারে। ১ ঘন্টা পর ঐ পানি ছেঁকে ১ ঘন্টা পরপর ছোটদের ১ চামচ করে এবং বড়দের ৩০ মিলি করে খাওয়াতে থাকুন। এতে গরমের জন্য বমি হলে প্রশমিত হবে। গরমের জন্য মাথা ঘুরলে, বমি হলে বা বুক ধড়ফড় করলেও এতে উপকার পাওয়া যায়।

৬। বমি হওয়ার মত অবস্থা :: একটা কাগজি লেবুকে দু'টুকরো করুন। এরপর এতে বিট লবন গুঁড়ো এবং গোলমরিচ গুঁড়ো লাগিয়ে রোগীকে ধীরে ধীরে চেটে খেতে দিন। এতে প্রায় সঙ্গে সঙ্গে বহমি হওয়ার মত অবস্থা দূর হবে।

৭। বমির সাথে বদহজম :: লবঙ্গ ৫টি এবং মিছরি ১০ গ্রাম একসাথে খুব করে পিষে নিয়ে ৩০ মিলি পানিতে মিশিয়ে খেলে বমি ও বমিভাব সহ বদহজম দূর হয়।

৮। রক্ত বমি :: জিরা ৩ গ্রাম ও মিছরি ৬ গ্রাম মিশিয়ে গুঁড়ো তৈরিই করে মুখে দিয়ে পানি খেলে বমিতে রক্ত আসা বন্ধ হয়ে যায়। প্রয়োজনে এই গুঁড়ো দিনে ২-৩ বার দেওয়া যায়।

কিডনি স্টোন থেকে বাঁচার উপায়

গরমে কিডনি স্টোনের সমস্যা ৪০ শতাংশ বেড়ে যায় এমন তথ্যই জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। বাংলাদেশে হাজার হাজার মানুষ কিডনি স্টোনের সমস্যায় কষ্ট পান।
সম্প্রতি বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার এক প্রতিবেদনে প্রকাশ, যারা খুব গরমের মধ্যে কাজ করেন এবং সারাদিনে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খাওয়ার সুযোগ পান না তাদের মধ্যে কিডনি স্টোন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। আবহাওয়ার বদলের সঙ্গে ক্রমশ বাড়ছে তাপমাত্রা। তাপমাত্রা ৫-৭ ডিগ্রি বেড়ে গেলে কিডনি স্টোনের সমস্যাও ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। অনেককেই কাজের প্রয়োজনে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বদলি হতে হয়। সেক্ষেত্রে যারা অপেক্ষাকৃত ঠাণ্ডা জায়গা থেকে গরম অঞ্চলে স্থানান্তরিত হন তাদের কিডনি স্টোন হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাপমাত্রাবৃদ্ধির সঙ্গে শরীর থেকে ঘামের মাধ্যমে প্রচুর পানি বেরিয়ে যায়। তখন যদি পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি না খাওয়া হয় তখন উচ্চমাত্রায় ইউরিন কনসেনট্রেশন হয়, যা কিডনিতে স্টোন হওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। তাপমাত্রা স্টোন হওয়ার অন্যতমবাড়ার সঙ্গে দেখা দিতে পারে ডিহাইড্রেশন এবং এটিও কারণ।

কিডনি স্টোন এড়ানোর জন্যে নয়টি বিশেষ উপায় জানানো হল-

১) সারাদিনে প্রচুর পরিমাণে পানি খান। অন্তত দুই লিটার তো নিশ্চয়ই। এছাড়াও রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগেও খানিকটা পানি খেয়ে তবেই শুতে যান। এতে সারা রাত শরীর হাইড্রেটেড থাকবে।

২) নুন-লেবু-চিনির পানি খান।

৩) নরম পানীয়, আইসড টি, চকোলেট, স্ট্রবেরি জাতীয় খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে যান। এই সব খাবারে প্রচুর পরিমাণে অক্সালেট থাকে যা ক্যালশিয়াম অক্সালেট কিডনি স্টোন হওয়ার সম্ভাবনা কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়।

৪) ক্যাফেন অথবা কফি যতটা সম্ভব কম খান। কফি বেশি খেলে শরীর ডিহাইড্রেটেড হয়ে যায়।

৫) কাঁচা নুন একেবারেই খাবেন না।

৬) প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

৭) এনিমাল প্রোটিন যেমন মাংস, মাছ ও ডিম যতটা সম্ভব কম খান। এই ধরনের খাবারে প্রচুর পরিমাণে পিউরাইন থাকে যা খুব তাড়াতাড়ি ইউরিক এসিডে ভেঙে যায়।

৮) প্রচুর পরিমাণে স্যালাড খান। শরীর হাইড্রেটেড থাকবে।

৯) নিয়মিত এক্সারসাইজ করুন এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

ধূমপান ছাড়ার ১৩টি উপায়:


ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। ধূমপানের কুফল হিসেবে ফুসফুসের ক্যান্সার, হার্টের রক্তনালী সরু হয়ে হার্ট এ্যাটাকের ঝুঁকি বৃদ্ধি, মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলে বাধা, যৌন ক্ষমতা হ্রাসসহ নানা ক্ষতিকর দিক রয়েছে ধূমপানের। অনেকেই ধূমপান নামক এই ঘাতককে চিরতরে নির্বাসনে দিতে চান কিন্তু নানা কারণে ধূমপান আর ছাড়া হয় না। বিশেষজ্ঞগণ ধূমপানের আসক্তি থেকে নিজেকে রক্ষার ১৩টি উপায় বলে দিয়েছেন। এসব অনুসরণ করলে অবশ্যই ধূমপান ছাড়া সম্ভব। এই ১৩টি উপায় হচ্ছে-
প্রথমে সিদ্ধান্ত নিন কেন ধূমপান ছাড়া আপনার জন্য জরুরী। অর্থ্যাৎ কি কারণে ধূমপান ছাড়তে চান। যেমন ক্যান্সার ও হার্ট এ্যাটাকের ঝুঁকি কামাতে।
০ কোন ধরনের থেরাপি বা মেডিকেশন ছাড়া ধূমপান ছাড়া ঠিক নয়। কারণ সিগারেটের নিকোটিনের ওপর ব্রেইন অনেক ক্ষেত্রে নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। ছেড়ে দিলেই নানা উপসর্গ শুরু হয়। তাই সিগারেটের বিকল্প থেরাপির কথা চিন্তা করতে হবে।
০ নিকোটিনের বিকল্প গাম, লজেন্স ইত্যাদি ব্যবহার করতে হবে।
০ নিকোটিনের বিকল্প ওষুধ সেবন করা যেতে পারে।
০ একা একা ধূমপান না ছেড়ে পরিবারের অন্যান্য সদস্য (যদি ধূমপায়ী থাকেন), বন্ধু-বান্ধব ও সহকর্মীদের উৎসাহিত করে একসঙ্গে ধূমপান ত্যাগের ঘোষণা দিন।
০ মানসিক চাপ কমাতে চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে হালকা ম্যাসাজ নিন।
০ অ্যালকোহল পরিহার করুন।
০ মনোযোগ অন্যদিকে নিতে ঘর পরিষ্কার করতে চেষ্টা করুন।
০ ধূমপান ত্যাগের জন্য বার বার চেষ্টা করুন। একবার ছেড়ে দিলে দ্বিতীয় বার আর ধূমপান করবেন না।
০ নিয়মিত ব্যায়াম করুন।
০ প্রচুর পরিমাণ সবুজ শাক-সবজি ও রঙিন ফলমুল খান।
০ ধূমপান বন্ধ করে যে আর্থিক সাশ্রয় আপনার হবে তার একটা অংশ হালকা বিনোদনে ব্যয় করুন।
০ আর ধূমপান ছাড়ুন বন্ধু-বান্ধব বা প্রেমিককে খুশী করার জন্য নয়, বরং আপনার নিজের সুস্বাস্থ্যের জন্যই এটা করেছেন। এমন জোরালো অবস্থান নিন।
Photo: ধূমপান ছাড়ার ১৩টি উপায়:
ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। ধূমপানের কুফল হিসেবে ফুসফুসের ক্যান্সার, হার্টের রক্তনালী সরু হয়ে হার্ট এ্যাটাকের ঝুঁকি বৃদ্ধি, মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলে বাধা, যৌন ক্ষমতা হ্রাসসহ নানা ক্ষতিকর দিক রয়েছে ধূমপানের। অনেকেই ধূমপান নামক এই ঘাতককে চিরতরে নির্বাসনে দিতে চান কিন্তু নানা কারণে ধূমপান আর ছাড়া হয় না। বিশেষজ্ঞগণ ধূমপানের আসক্তি থেকে নিজেকে রক্ষার ১৩টি উপায় বলে দিয়েছেন। এসব অনুসরণ করলে অবশ্যই ধূমপান ছাড়া সম্ভব। এই ১৩টি উপায় হচ্ছে-
০ প্রথমে সিদ্ধান্ত নিন কেন ধূমপান ছাড়া আপনার জন্য জরুরী। অর্থ্যাৎ কি কারণে ধূমপান ছাড়তে চান। যেমন ক্যান্সার ও হার্ট এ্যাটাকের ঝুঁকি কামাতে।
০ কোন ধরনের থেরাপি বা মেডিকেশন ছাড়া ধূমপান ছাড়া ঠিক নয়। কারণ সিগারেটের নিকোটিনের ওপর ব্রেইন অনেক ক্ষেত্রে নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। ছেড়ে দিলেই নানা উপসর্গ শুরু হয়। তাই সিগারেটের বিকল্প থেরাপির কথা চিন্তা করতে হবে।
০ নিকোটিনের বিকল্প গাম, লজেন্স ইত্যাদি ব্যবহার করতে হবে।
০ নিকোটিনের বিকল্প ওষুধ সেবন করা যেতে পারে।
০ একা একা ধূমপান না ছেড়ে পরিবারের অন্যান্য সদস্য (যদি ধূমপায়ী থাকেন), বন্ধু-বান্ধব ও সহকর্মীদের উৎসাহিত করে একসঙ্গে ধূমপান ত্যাগের ঘোষণা দিন।
০ মানসিক চাপ কমাতে চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে হালকা ম্যাসাজ নিন।
০ অ্যালকোহল পরিহার করুন।
০ মনোযোগ অন্যদিকে নিতে ঘর পরিষ্কার করতে চেষ্টা করুন।
০ ধূমপান ত্যাগের জন্য বার বার চেষ্টা করুন। একবার ছেড়ে দিলে দ্বিতীয় বার আর ধূমপান করবেন না।
০ নিয়মিত ব্যায়াম করুন।
০ প্রচুর পরিমাণ সবুজ শাক-সবজি ও রঙিন ফলমুল খান।
০ ধূমপান বন্ধ করে যে আর্থিক সাশ্রয় আপনার হবে তার একটা অংশ হালকা বিনোদনে ব্যয় করুন।
০ আর ধূমপান ছাড়ুন বন্ধু-বান্ধব বা প্রেমিককে খুশী করার জন্য নয়, বরং আপনার নিজের সুস্বাস্থ্যের জন্যই এটা করেছেন। এমন জোরালো অবস্থান নিন।